১২ দিন পর স্বামী বুঝলেন তার স্ত্রী পুরুষ | His Wife Is Male

সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত হয়ে ২৬ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ান এক তরুণ বিয়ে করেছিলেন আদিন্দা কানজাকে। কিন্তু বিয়ের দিন স্বামী জানতেন না যে তার স্ত্রী আসলে একজন পুরুষ। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়।

গত সোমবার (২৭ মে) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি প্রেমের বিয়ে হওয়া সত্ত্বেও, ১২ দিন পর স্বামী বুঝলেন তার স্ত্রী পুরুষ। ২৬ বছর বয়সী স্বামী একে বুঝেননি তার স্ত্রী আদিন্দা কানজা আসলে একজন মহিলার ছদ্মবেশে পুরুষ। ভুক্তভোগী স্বামীর নাম একে (ছদ্মনাম)। তিনি ইন্দোনেশিয়ার জাভার নারিঙ্গুল অঞ্চলে থাকেন। ২০২৩ সালে, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২৬ বছর বয়সী একের পরিচয় হয় আদিন্দা কানজার সাথে। পরে তারা উভয়ে সাক্ষাতের পরিকল্পনা করেন।

একে বলেন যে, কানজা সবসময় তার পুরো মুখ ঢেকে ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পোশাক পরতে ও নিজেকে একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান বলে দাবি করতেন। সাক্ষাতের দিনে কানজা নেকাব পরে থাকতো আর এই বিষয়টি একে খারাপভাবে নেয়নি। এটিকে ইসলামের প্রতি কানজার ভক্তির লক্ষণ বলে মনে করেন তিনি তাই তার আকর্ষণ বেড়ে গিয়েছিল।

এভাবে চলতে থাকে, প্রায় এক বছর পর তারা দুজনেই তাদের বিয়ের পরিকল্পনা শুরু করেন। কানজা বলেছিল যে তার বিয়েতে কেউ উপস্থিত হতে পারবে না কারণ তার পরিবারের কোনো সদস্য নেই। অন্ধ প্রেমিক সব মেনে নিয়ে ১২ এপ্রিল একে -তার বাড়িতে কানজাকে বিয়ে করেন।

কিন্তু বিয়ের পরেও, আদিন্দা তার স্বামীর কাছ থেকে নিজের মুখ গোপন রাখতে চেষ্টা করে এবং তার স্বামীর পরিবার এবং গ্রামের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে অস্বীকার করে। এমনকি তিনি মাসিক চক্রের সমস্যা উল্লেখ সহ বিভিন্ন অজুহাতে তার স্বামীর সাথে ঘনিষ্ঠতা এড়াতে চেষ্টা করেন।

নববধূর কাছ থেকে দিনের পর দিন এমন সন্দেহজনক আচরণের পর, একে তার স্ত্রীর বিষয়ে অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে পুলিশের সহয়তায় সব তথ্য ফাঁস হয়। পুলিশ বলেছে যে, তার বিয়ের ছবিগুলিতে আদিন্দাকে একজন সত্যিকারের মহিলার মতো দেখাচ্ছে। তার নিখুঁত, নরম এবং মৃদু কণ্ঠস্বর আছে, তাই অবিশ্বাস করার কোন কারণ ছিল না যে তিনি একজন পুরুষ।

আইনের নীতি অনুসারে আদিন্দাকে প্রতারণার করার অভিযোগে চার বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

All Bangla Newspaper or News Free to read free from same place and know more about them All Newspaper Bangla best.

Leave a Comment